অনুপাত আবার নাকি সোনার?
তুমি কি কি অনুপাত সম্বন্ধে জান?
বীজগাণিতিক অনুপাত, জ্যামিতিক অনুপাত,সমানুপাত,ক্রমিক সমানুপাতী; এদের বাইরে আমাদের খুব কম সংখ্যক মানুষই জানে। কিন্তু আজকে আমি তোমাদের এমন এক অনুপাতের সাথে পরিচয় করাব যা দেখে তোমরা বিস্মিত না হয়ে পারবা না। নামটাও ওরকমই। সোনার অনুপাত!কেউ কেউ আবার পবিত্র অনুপাতও বলে। ইংরেজীতে যাকে বলে গোল্ডেন রেশিও বা ডিভাইন প্রোপোরশন। মনে মনে একটি লাইন আক। তারপর ওই লাইনকে দুই ভাগে ভাগ করো। কিন্তু শর্ত হলো, লাইনের সম্পূর্ণ অংশের সাথে তার বড় অংশের অনুপাত এমন হবে যা তার বড় অংশের সাথে ছোট অংশের অনুপাতের সমান! বুঝতে সমস্যা হচ্ছে? আচ্ছা, আমরা এবার রাশি দিয়ে প্রকাশ করার চেষ্টা করি। ধরি, বড় অংশটি ‘ক’ আর ছোট অংশটি ‘খ’। তাহলে শর্তমতে সমীকরণটি দাঁড়ায় ,(ক+খ)/ক=ক/খ। এটিই হলো সোনার অনুপাত । এই অনুপাতের একটা ধ্রুবক মান পাওয়া যায় । যাকে গনিতবিদরা প্রকাশ করেছেন ফাই দিয়ে। ফাই=১.৬১৮০৩৩৯৮৮৭...। তোমরা যদি জানতে চাও এর মান কিভাবে বের করা হয়েছে, তা হলে এই Golden Ratio লিঙ্কে যাও । সেখানে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা আছে।
আচ্ছা সবই বুঝলাম । কিন্তু এটা বাস্তবে কি কাজে লাগে? আর আমি জেনেই বা কি করব? সত্যি বলতে এর ব্যবহার ছাড়া আমাদের পরিচিত পৃথিবীটাই হয়ত এতোটা সুন্দর মনে হত না। এজন্যই তো বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছে সোনার অনুপাত। অবাক করারা বিষয় হলো এমনকি তোমার শরীর এই অনুপাত দিয়ে সৃষ্ট ।এর ব্যবহার নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে। সেটা অনেক মজার। তোমাদের উৎসাহের জন্য কিছু টার্ম বলে রাখছি। গোল্ডেন এংগেল, গোল্ডেন রেকটেংগেল, পলিগন, কেপলার ত্রিভুজ,ফিবনাক্কী সিরিজ এবং আরো মজার সব বিষয়।এই সবগুলোর সাথেই সম্পর্ক রয়েছে গোল্ডেন অনুপাতের। কীভাবে জানতে হলে আমার পরের লেখাতে চোখ রাখ।সেই পর্যন্ত ভালো থেকো সবাই।ধন্যবাদ।

The content is very helpful
ReplyDelete